রবিবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৭ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৩রা সফর, ১৪৩৯ হিজরী

You Are Here: Home » জাতীয় » মিয়ানমারে গণহত্যা তদন্তে নাগরিক কমিশন গঠন

মিয়ানমারে গণহত্যা তদন্তে নাগরিক কমিশন গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

 

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর যে গণহত্যা ও নির্যাতন চলছে তা তদন্তে বাংলাদেশে একটি নাগরিক কমিশন গঠন করা হয়েছে। এই কমিশনের চেয়ারম্যান করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামছুল হুদাকে। আর সদস্য সচিব করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিককে।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কমিশন গঠনের কথা জানানো হয়। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির এই কমিশন ঘোষণা করেন।

কমিশন ঘোষণাকালে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন। এই কমিশনে ৩৩ বিশিষ্ট নাগরিককে সদস্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন বুদ্ধিজীবী, সুশীল সমাজের সদস্য, বিচারপতি, আইনজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, লেখক ও কয়েকজন আলেম।

কমিশনের উল্লেখযোগ্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, সঙ্ঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথেরো, বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, অধ্যাপক অজয় রায়, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, বিচারপতি মো. নিজামুল হক, অধ্যাপক অনুপম সেন, সাংবাদিক কামাল লোহানী, কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হক, শিল্পী হাশেম খান, অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, নিরপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশিদ, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার, সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে, নির্মূল কমিটি তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে। কক্সবাজারে একটি গণশুনানির আয়োজন করবে। তিনটি বিষয় নিয়ে কাজ করবে কমিশন। গণহত্যা কিংবা জাতিগত হত্যাকাণ্ড কি না, সেখানে কোনো সন্ত্রাসী সংগঠন কতটা সক্রিয় এবং পরিশেষে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে আন্তর্জাতিক আদালতে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘বার্মায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চলমান গণহত্যা বিশ্ববিবেককে প্রকম্পিত করলেও এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কাঙ্ক্ষিত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতনের কারণে তাদের ভেতরে বিচ্ছিন্নতাবাদ, বিদ্রোহ ও জঙ্গি-মৌলবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে। এটা শুধু বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়ায় নয় পুরো বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য একটি হুমকি হয়ে উঠতে পারে।’

বিচারপতি শামছুল হুদার সভাপত্বিতে আরও বক্তব্য দেন অধ্যাপক অজয় রায়, অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশিদ, মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার, সাবেক আইজিপি মোহাম্মদ নূরুল আনোয়ার প্রমুখ।

Tweet about this on TwitterShare on Google+Print this pageShare on LinkedInShare on Tumblr





Leave a Comment

You must be logged in to post a comment.

© 2014 Powered By Sangshadgallery24.com

Scroll to top