বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ ইং, ১১ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ শাবান ১৪৪০ হিজরী

You Are Here: Home » ফটো গ্যালারী » দ্বিতীয় দফার ভোটেও ব্যর্থ হলো বৃটিশ পার্লামেন্ট

দ্বিতীয় দফার ভোটেও ব্যর্থ হলো বৃটিশ পার্লামেন্ট

সংসদ গ্যালারী ডেস্ক:

 

ব্রেক্সিট নিয়ে বিকল্প প্রস্তাব পাসে আরো একবার ব্যর্থ হয়েছেন বৃটিশ এমপিরা। সোমবার দিনশেষে ব্রেক্সিট সম্পাদনের বিকল্প প্রস্তাবগুলোর ওপর দ্বিতীয় দফা ভোট হয়। গত সপ্তাহে এমন আটটি প্রস্তাবের ওপর ভোট হয়েছিল। কিন্তু তার কোনো একটিও পাস করাতে পারেন নি তারা। ফলে সোমবার ওই আটটি প্রস্তাবের ভিতর থেকে বাছাই করে চারটি প্রস্তাব ভোটে দেন স্পিকার জন বারকাউ। এর মধ্যে রয়েছে কাস্টমস ইউনিয়ন, নরওয়ে স্টাইলের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়া, বৃটেনের জন্য সিঙ্গেল মার্কেট ব্যবস্থা। কিন্তু কোনো একটি প্রস্তাবও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় নি ভোটে। মাত্র তিন ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছে কাস্টমস ইউনিয়ন বিষয়ক প্রস্তাব।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

বিকল্প প্রস্তাবের ভোট আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক না হলেও ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার ওপর এর বড় প্রভাব রয়েছে। কারণ, প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের সরকার ব্রেক্সিট ইস্যুতে ভীষণ এক অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে। তিনি নিজ দলেই বিদ্রোহের মুখে রয়েছেন। ব্রেক্সিট নিয়ে তিনি এ পর্যন্ত যে তিনটি খসড়া চুক্তি পার্লামেন্টে ভোটে দিয়েছেন তার সবটিতেই তিনি ভয়াবহভাবে হেরেছেন। এমন অবস্থায় বিকল্প পন্থা বের করার জন্য সরকারের কাছ থেকে হাউস অব কমন্সের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন এমপিরা। তারা যে বিকল্প প্রস্তাব আনছেন তা ব্রেক্সিট সম্পাদনে নতুন করে পথ দেখাবে বলে আশা করা হয়। কিন্তু তারাও ব্যর্থ হচ্ছেন।

ওদিকে ব্রেক্সিট সম্পাদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সামনে ১২ই এপ্রিল পর্যন্ত সময় আছে। এর মধ্যে তাকে বা তার সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, বৃটেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৃটেনের বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া সম্পাদনের জন্য লম্বা সময়সীমা বর্ধিত করার আহ্বান জানাবে নাকি কোনো চুক্তি ছাড়াই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করবে।

ওদিকে পরবর্তী করণীয় কি তা নিয়ে মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসার কথা প্রধানমন্ত্রী মের। সোমবার যে চারটি প্রস্তাব ভোটে দেয়া হয় তার মধ্যে রয়েছে-

১. মোশন সি: ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি কাস্টমস ইউনিয়ন। এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন ক্ষমতাসীন কনজার্ভেটিভ দলের সাবেক চ্যান্সেলর কেন ক্লার্ক।

২. মোশন ডি: কমন মার্কেট ২.০। এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন বোলস। এ প্রস্তাবটির অর্থ হলো ইউরোপীয়ান ফ্রি ট্রেড এসোসিয়েশন এবং ইউরোপিয়ান ইকোনমিক এরিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া।

৩. মোশন ই: কনফার্মেটিভ গণভোট। ব্রেক্সিট নিয়ে পার্লামেন্ট যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন তা জনগণের কাছে গণভোটে দিতে হবে। তারপর তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন বিরোধী লেবার দলের এমপি পিটার কাইলি এবং ফিল উইলসন।

৪. মোশন জি: কোনো চুক্তি ছাড়া বৃটেন যেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ না করতে পারে এ কথা বলা হয়েছে এ প্রস্তাবে। এতে আরো বলা হয়েছে, লিসবন চুক্তির ৫০ অনুচ্ছেদ বাতিল করা হবে কিনা সে বিষয়ে ভোট দিতে হবে। ব্রেক্সিট বাতিল হবে কিনা তাও ভোটে দিতে হবে। এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির এমপি জোয়ানা চেরি।

Tweet about this on TwitterShare on Google+Print this pageShare on LinkedInShare on Tumblr





© 2014 Powered By Sangshadgallery24.com

Scroll to top