বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ ইং, ১২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী

You Are Here: Home » ফটো গ্যালারী » বাজেটে স্বচ্ছল মানুষকে বেশি সুবিধা দেয়া হয়েছে:সিপিডি

বাজেটে স্বচ্ছল মানুষকে বেশি সুবিধা দেয়া হয়েছে:সিপিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রস্তাবিত বাজেটে স্বচ্ছল ও উচ্চ আয়ের মানুষকে বেশি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রেখে বাড়ানো হয়েছে সম্পদের ক্ষেত্রে সারচার্জের সীমা। যারা আয় করে তাদের জন্য সুবিধা দেওয়া হয়নি, অথচ সম্পদশালীদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০ পেশ পরবর্তী এ পর্যালোচনা উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ।

তিনি বলেন, বাজেটে গরীব মানুষের জন্য একটি প্রান্তিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে অর্থনৈতিকভাবে যারা সুবিধাভোগী এবারের বাজেট আবারও তাদেরই পক্ষে গেছে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আওয়ামী লীগের এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে গরীব মানুষের পক্ষে বলা হয়েছে। আমি আগেও বলেছি, এ ইশতেহার একটি সুলিখিত, সুচিন্তিত দলিল। যেটাকে সিরিয়াসলি নেই।

ব্যাংক খাত প্রসঙ্গে সিপিডির সম্মানীয় এ ফেলো বলেন, ব্যাংক খাত থেকে যারা সুবিধা নিয়েছেন, তারা ব্যাংকিং কমিশন হোক চান না। কমিশন হলে ব্যাংক খাতে স্বচ্ছতা ফিরে আসবে। তথ্য উপাত্তের সমস্যা আছে, সেগুলো প্রকাশিত হবে, জবাবদিহীতা বাড়বে। যারা এ খাত থেকে অন্যায্য সুবিধাগুলো নিয়েছেন, তারা এ পরিবর্তনগুলো আনতে দিতে চান না।

বাজেট স্বচ্ছল-উচ্চ আয়ের মানুষকে অনেক বেশি সুবিধা দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আর গরীব মানুষের জন্য একটি প্রান্তিক ভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা থাকছে। দেশের মধ্যবিত্ত, বিশেষ করে বিকাশমান মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্তরা এ বাজেট থেকে খুব বেশি উপকৃত হবে না। কারণ যারা উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পায় না, বিদেশে গিয়ে এসব সেবা নিতে পারে না। তাদের জন্য আমরা কি মানসম্পন্ন ব্যবস্থা নিচ্ছি। তাদের শিশুরা উচ্চমানের শিক্ষা পাচ্ছে কি-না। চিকিৎসা করাতে পারছে এটাই বড় বিষয়। দেশের মধ্যবিত্তদের জন্য আমরা কি করতে পারবো, সেটার উপর নির্ভর করছে, আমাদের উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে যাওয়া।

‘বিকাশমান মধ্যবিত্তরাই হলো চালিকা শক্তি। তাদের চিন্তা, চেতনা, উপার্জন, বুদ্ধিমত্তা এগুলোই হলো চালিকাশক্তি। সেই চালিকাশক্তিকে যদি সেভাবে পরিমাপ না করেন, তাহলে ইশতেহার চেতনা সম্পূর্ণ বিফল। এটি রাজনৈতিক দলের আদর্শ, ভোটের ভিত্তি পরিপন্থি, এটাই দুশ্চিন্তার বিষয়’।

দেবপ্রিয় ভট্টচার্য বলেন, যারা অর্থনৈতিক অপশাসনের সুবিধাভোগী, এ বাজেট তাদের পক্ষেই গেছে। কারণ পরিবর্তনের যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার, অর্থনৈতিক কৌশল সেটা আমরা দেখিনি। কিন্তু এসব বিষয় ইশতেহারে ছিল, সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ছিল। সরকার যে টাকা বরাদ্দ করেছেন সেটা গরীব মানুষের কাছে যায়নি, আর খরচ করলেও সেটা গরীব মানুষের পক্ষে যায়নি।

অনুষ্ঠানে সিপিডির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট উম্মে শেফা রেজবানা, মোস্তফা আমির সাব্বিহ, সারাহ সাবিন খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tweet about this on TwitterShare on Google+Print this pageShare on LinkedInShare on Tumblr





Leave a Comment

You must be logged in to post a comment.

© 2014 Powered By Sangshadgallery24.com

Scroll to top