বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯ ইং, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী

You Are Here: Home » এক্সক্লুসিভ » প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছে নেই মাশরাফির

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছে নেই মাশরাফির

নিউজ ডেস্কঃ

মঙ্গলবার ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। অথচ এ ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় সাংবাদিক জানতে চাইলেন মাশরাফির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে।

ভারতীয় দল আজ অনুশীলন করেনি। সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনো প্রতিনিধিকেও পাঠায়নি। বাংলাদেশ ম্যাচ নিয়ে কোহলিদের ভাবনটা কী, সেটা আর জানাই হলো না কারও। নিজেদের দল রেখে বিপুল আগ্রহ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম তাই কাভার করল মাশরাফি বিন মুর্তজার সংবাদ সম্মেলন।

গুরুত্বপূর্ণ সব প্রশ্ন—অবশ্যই সব প্রশ্ন এজবাস্টনে কালকের বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ ঘিরে। হঠাৎ এক ভারতীয় সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন রাজনীতি আর ক্রিকেট মিশিয়ে। প্রথম প্রশ্নটা নিখাদ ক্রিকেটের—টস জেতার ওপর কি ম্যাচ হারা-জেতা নির্ভর করছে? পরের প্রশ্নটা মাঠের নয়, ময়দানের—আগামী ১০-১৫ বছরে আপনাকে কি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে?

মাশরাফি বিন মুর্তজার ক্রিকেটীয় ব্যাখ্যা শেষে দ্বিতীয় প্রশ্নে বিশদ উত্তরেই গেলেন না। ওই ভারতীয় সাংবাদিক আবারও জানতে চাইলেন। এবার বাংলাদেশ অধিনায়কের সোজা উত্তর, ‘ওহ, মোটেও না (প্রধানমন্ত্রী হওয়া প্রসঙ্গে)।’

একমাত্র রাজনীতিক, সাংসদ হিসেবে বিশ্বকাপ খেলছেন—ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মাশরাফিকে এত কাছে পেয়ে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন না করে ছাড়ে! খেলোয়াড় হিসেবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়লেও মাশরাফি বরাবরই খেলার সময় রাজনীতির প্রসঙ্গ আনতে চান না। না চাইলেও যে চলে আসে, সেটি সংবাদ সম্মেলনে দেখা গেল।

মাশরাফির স্বপ্ন নেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার, তবে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভীষণ স্নেহধন্য। বাংলাদেশ খারাপ কিংবা ভালো যেটাই খেলুক, নিয়মিতই প্রধানমন্ত্রী খোঁজখবর নেন। এই বিশ্বকাপেও অনেকবার নিয়েছেন। সাউদাম্পটনে আফগানিস্তানকে হারানোর পর শুধু মাশরাফি-সাকিব নন, তিনি কথা বলতে চেয়েছেন লড়াকু ইনিংস খেলা মুশফিকুর রহিমের সঙ্গেও।

প্রধানমন্ত্রীর একটা কথা মাশরাফিকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করে। কদিন আগে এক আড্ডায় বাংলাদেশ অধিনায়ক বলছিলেন, ‘গত এশিয়া কাপের ফাইনালের আগে প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশন যোগ দিতে গিয়ে ফোন দিলেন। বললেন, ‘‘ফাইনাল জিতলে ভালো। না জিতলেও মন খারাপ কোরো না। ভারত অনেক শক্তিশালী দল, হারাতে পারলে অনেক খুশি হব। না জিততে পারলেও তোমাদের ধন্যবাদ দেব। পুরো টুর্নামেন্টে তোমরা অনেক ভালো খেলেছ।” আমি তো তখন সাংসদ হইনি বা রাজনীতিতে জড়াইনি। প্রধানমন্ত্রী যখন এমন সাহস দেন, বুকের ছাতি এমনি অনেক বড় হয়ে যায়।’

Tweet about this on TwitterShare on Google+Print this pageShare on LinkedInShare on Tumblr





© 2014 Powered By Sangshadgallery24.com

Scroll to top