সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০ ইং, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ রবিউস-সানি ১৪৪২ হিজরী

You Are Here: Home » ফটো গ্যালারী » সিরাজগঞ্জে পৌর নির্বাচনে বিএনপির অর্ধ ডজন প্রার্থীর দৌড়ঝাঁপ

সিরাজগঞ্জে পৌর নির্বাচনে বিএনপির অর্ধ ডজন প্রার্থীর দৌড়ঝাঁপ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পৌরসভা নির্বাচনের বাকি আর দুই তিন মাস। এখন জোরেশোরে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের। দলের মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রের নজর কাড়ার চেষ্টায় আছেন তাঁরা। আর শহরের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট সভা-সমাবেশ ও উঠান বৈঠক তো চলছেই। তবে জনমত জরিপে এগিয়ে থেকে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন কেউ কেউ।

বিএনপি জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে অংশ নিয়েছে, বেশ কয়েকটি উপজেলার ও ইউনিয়নের উপনির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে । আগামী ইউপি ও পৌরসভা নিরবাচনেও অংশগ্রনের কথা জানিয়েছে কেন্দ্র।তারপর থেকেই থেকেই সিরাজগঞ্জ পৌরসভার বিএনপির আগ্রহী প্রার্থীরা নড়ে চরে বসেছে। মনোনয়ন পেতে দলের নেতাদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। অর্ধ ডজন প্রার্থী মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। আগ্রহী ছয়জন হলেন, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মোকাদ্দেস আলী, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সদস্য সাইদুর রহমান বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা মোস্তফা জামান, জেলা যুবদলের সভাপতি মীর্জা আব্দুল জব্বার বাবু, আবু সাঈদ সুইট ও বিএনপি নেতা শফিউল আলম ডলার।

জেলা কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতারা জানান, ছয়জনই এখন নানাভাবে জনসংযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। নিজেদের প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন, তাদের সমর্থকরা এই নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন। প্রার্থিতা অনেকটাই নির্ভর করছে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর উপর। তিনিই সিরাজগঞ্জের বিএনপির একক নিয়ন্ত্রণ কর্তা । তিনি যাকে প্রার্থী করবেন বা সমর্থন দিবেন তিনিই পাবেন পৌরসভা নির্বাচনে ধানের শীষ ।

প্রার্থিতা নিয়ে দলীয় কোন্দলও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। যোগ্য প্রার্থী বাদ পরে নেতার অনুগত কেউ মনোনয়ন পাবেন বলে দলের কেউ কেউ মনে করছেন। বিভিন্ন ভাবে তাঁরা শহরে গণসংযোগ করছেন। কেউ কেউ কেন্দ্রে লবিং করছেন। ভোট সুষ্ঠু হবে কিনা তা নিয়েও আশংকা আছে প্রার্থীদের মধ্যে। সিরাজগঞ্জ শহরে তুলনামূলক বিএনপির ভোটের অবস্থান ভালো। দলীয় কোন্দল পরিহার করে যোগ্য একজনকে সম্মিলিতভাবে প্রার্থী করতে পারলে সুফল পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা। তছাড়াও টুকুর ঘনিস্ট মজিবুর রহমান লেবু, সাবেক ছাত্রদল নেতা রানা, রঞ্জন সহ আরও কেউ কেউ প্রার্থিতার জন্য চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে মীর্জা মোস্তফা জামান সদরের সাবেক এমপি প্রবীণ নেতা মরহুম মুরাদুজ্জামানের ছেলে ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি । ক্লিন ইমেজ, কেন্দ্রে তাঁর সম্ভাবনা বেশী। বাচ্চু সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা বর্তমানে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, কর্মীদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বেশ। কিন্তু টুকুর কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বী। বাবু তরুণদের মধ্যে শহরে জনপ্রিয়, সাবেক ছাত্রনেতা। এদের মধ্যে থেকেই একজন মনোনয়ন পেতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন। তাঁরাও প্রার্থী হতে আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

Tweet about this on TwitterShare on Google+Print this pageShare on LinkedInShare on Tumblr





© 2014 Powered By Sangshadgallery24.com

Scroll to top